← Back
Edit Book #5722
pending
telegram
no image
epub: epub/5722.epub
(570 KB)
Title
Author
ID: 1184
Status
pending
completed
not_found
Review status
approved
pending
review_needed
Series
Series index
Genre
ISBN
Pages
Description
(primary — shown on site)
Wiki description
রিভার গড দক্ষিণ আফ্রিকান লেখক উইলবার স্মিথ রচিত উপন্যাস। এতে নপুংসক দাস টাইটার বর্ণনায় প্রাচীন মিসরীয় জীবন, হিক্সসের আক্রমণে মিশরীয় ফারাও সম্রাজ্যের পতন অতঃপর পলায়ন ও ফিরে এসে ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। উপন্যাসটি উইলবার স্মিথ–এর প্রাচীন মিশর সিরিজের অন্তর্ভুক্ত। অন্য বই গুলোর মধ্যে রয়েছে দ্য সেভেন্থ স্ক্রল (১৯৯৫), ওয়ারলক, দ্য কোয়েস্ট, ডেজাড গড, ফারাও। উপন্যাসটি ১৯৯৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। == কাহিনী সংক্ষেপ == রিভার গড উপন্যাসে দাস টাইটার দৃষ্টিতে দেখা মিসরীয় ফারাওয়ের রাজত্ব ও তার পরিণতির গল্প, যে নিজে একজন নপুংসক ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। টাইটা ছিল প্রভু ইনটেফে দাস যে তার মেয়ে লস্ট্রিসের দেখাশোনা করত। আদতে প্রভু ইনটেফের প্রাসাদের সকল কর্মকাণ্ডই টাইটা দেখাশোনা করত। সেই সময় মিশরের ফারাওয়ের কোন ছেলে উত্তরাধিকারী ছিল না। ওরিসিস উৎসবের নাটকে মহান ফারাও লস্ট্রিসকে দেখে মোহিত হন। লস্ট্রিস ঐ সময় বীর সৈনিক ট্যানাসের প্রেমে পড়ে। ঘটনা চক্রে ফারাওয়ের সাথে লস্ট্রিসের বিয়ে হয়ে যায় এবং লর্ড ইনটেফ টাইটাকে যৌতুক হিসেবে দিতে বাধ্য হন। একপর্যায়ে সৈনিক ট্যানাস মহান ফারাওকে মিসরের প্রধান সমস্যা শ্রাইক্ দস্যুদের সম্পর্কে অবহিত করেন ও প্রতিকার প্রার্থনা করেন যা ফারাও কে ক্ষুব্ধ করে। তিনি ট্যানাসকে দুই বছরের মধ্যে শ্রাইক্ দস্যুদের নির্মূল করার আদেশ দেন অন্যথায় তার মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। ট্যানাস, টাইটার সাহায্যে শ্রাইক্ দস্যুদের নির্মূল করতে সক্ষম হন এবং তাদের সর্দার যে লর্ড ইনটেফ তা প্রমাণ করেন। দুর্ভাগ্যক্রমে লর্ড ইনটেফ পালাতে সক্ষম হন। এদিকে ফারাও তার পরিষদ নিয়ে শিকারে গেলে মরু ঝড়ের কবলে পরেন। সেখানে এক গুহায় আটকে পরে ট্যানাস ও লস্ট্রিস মিলিত হন। তাদের মিলনের ফসল ফারাও পুত্র ম্যামোস নামে ভুমিষ্ট হয়। যার আসল পিতৃ পরিচয় একমাত্র লস্ট্রিস, ট্যানাস ও টাইটাই জানেন। রাজ্যের জন্য নতুন হুমকি হিসেবে দেখা দেয় বহিরাগত হিস্কক বাহিনী। তাদের সামরিক ঘোড়া, রথ, বাঁকানো ধনুক সবই যান্ত্রিক ভাবে এতই উত্কৃষ্ট যে পদাতিক মিসরীয় বাহিনিকে মুহূর্তে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলে। ফারাও নিহত হন। রানী লস্ট্রিস, ট্যানাস ও টাইটাই, শিশু ম্যামোস, সম্মানিত সভাসদ্দের ও বাকি সৈন্যদের নিয়ে কি নিয়ে নীল নদ দিয়ে মিসর ছেড়ে পালিয়ে যান। তাদের নির্বাসনে থাকার সময় রানী লস্ট্রিস আরো দুইটি মেয়ে শিশুর জন্ম দেয়, কিন্তু টাইতা কৌশলে তাদের পিতৃ পরিচয় গোপন রাখেন। এই সময় টাইটা ঘোড়া ধরে এনে ঘোড়সওয়ার বাহিনী, রথের চাকার উন্নতি সাধন করে যা পরে হিস্ককদের সাথে যুদ্ধ জয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ফারাওয়ের সমাধির জন্য উপযুক্ত জায়গা খোজার সময় নৃশংস ইথিওপিয়ার সর্দার আরকুন টাইটাকে বন্দি করে। সেখানে বন্দিদশায় প্রতিদ্বন্দ্বী সর্দারদের মেয়ে মাসারার সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয় টাইটার। টাইটা পালিয়ে গিয়ে তার পিতা(মাসারার) কে খুজে বের করে আর তার মেয়েকে উদ্ধার করে দেবার চুক্তি করে। বিনিময়ে তারা প্রচুর ঘোড়া ও নীল তলোয়ার দাবি করে। মিসরিয়দের সাথে যুদ্ধে আরকুন বাহিনী পরাজিত হয়। যুদ্ধে বীর ট্যানাস মারা যায়। মাসারা ও মেমন প্রেমে পরে তাদের বিয়ে হয়। নতুন সম্রাট ফারাও মেমনের নেতৃত্বে তারা মরুভুমি পারি দিয়ে মিসরে ফিরে আসে। তাদের নবাবিষ্কৃত অস্ত্রসম্ভার, যুদ্ধ কৌশল, নতুন ধরনের রথ নিয়ে তারা হিক্সস বাহিনির মোকাবেলা করে এবং থিবেস থেকে বিতারিত করে হারানো সম্রাজ্যের আংশিক ফিরে পায়। == চরিত্র == টাইটা- একজন দাস(তার মিসট্রেস লট্রিস তাকে মুক্ত করে দিতে চাইছিলেন কিন্তু স্বেচ্ছায় তিনি দাস থেকে সেবা করতে চান), চিকিৎসক, গীতিকার, লিপিকার, রণ কৌশলী, প্রকৌশলী, বিভিন্ন কিছুর গবেষক, উপন্যাসটি যার জবানিতে লেখা। লস্ট্রিস- মিসরের শাসনকর্ত্রী,লর্ড ইনটেফের কন্যা, পরে ফারাওয়ের স্ত্রী। লর্ড ট্যানাস- বীরশ্রেষ্ট উপাদি প্রাপ্ত যোদ্ধা, লস্ট্রিসের প্রেমিক। মেমনন-ফারাও টামোস মিসর পুর্নোদ্ধার কারি প্রথম রাজা, লস্ট্রিস আর ট্যানাসের সন্তান, যাকে মহান ফারাওয়েরবপুত্র মনে করা হয়। মাসারা- ইথিওপিয়ার সর্দারের কন্যা, ফারাও মেমননের স্ত্রী ফারাও- লস্ট্রিসের স্বামী, মিসরের ৮ম মহান সম্রাট। ক্রাতাস,রেমরেম এবং আরোও অনেক যারা সাহসী যোদ্ধা এবং সেনাপতি ছিল। লর্ড ইনটেফ- দুর্নীতিবাজ উজির, শ্রাইক্ দস্যুদের গোপন সর্দার। র্যাসফার- লর্ড ইনটেফের জল্লাদ। == পটভূমি == স্মিথ এই বইটি লেখার পেছনে অনুপ্রেরণার কথা যে ভাবে বর্ণনা করেনঃ সূর্যাস্তের সময় আমি একাকী নীলনদের ধারে কারণাকের মন্দির বসে ছিলাম। বড় প্রার্থনা কক্ষটি যেন প্রাচীন কায়া আর প্রেতে পরিপূর্ণ ছিল। এমন সময় আমি ক্ষীণ কণ্ঠটি শুনলাম “আমার নাম টাইটা, আমার কাহিনীটি লিখুন।” এবং তা যদি বিশ্বাস করেন তাহলে সকল কিছুই বিশ্বাস করবেন।টেমপ্লেট:তথ্যসূত্র প্রয়োজনে তিনি আরো বলেছেন যে, "১৯৮৮ সালে এক প্রাচীন অখ্যাত মিসরীয় রাণীর সমাধি আবিষ্কার হলে তিনি এব্যাপারে ধারণা পান। যিনি আনুমানিক ১৭৮০ খ্রিস্টপূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।" যে প্রত্ন দলটি মিসরের নীলনদের পশ্চিম ধারে খনন কার্য পরিচালনা করছিলেন তাদের আমন্ত্রনেই স্মিথ তখন স্ক্রোল গুলি অনুবাদে সাহায্য করছিলেন। == ঐতিহাসিক সত্যতা == বইটির শেষে দুই পাতা উপসংহারে স্মিথ দাবী করেন যে তার কাহিনী ১৭৮০ খ্রিস্টপূর্বে লিখিত স্ক্রোলের কাহিনী অনুসারে লেখা হয়েছে যা প্রাচীন মিসরীয় সমাধি খননের সময় আবিষ্কৃত হয়। স্ক্রোলগুলো আবিষ্কার করেন মিসরীয় ইতিহাস সম্পর্কে অভিজ্ঞ ডঃ দুরাইদ আল সিমা, যিনি তা অনুবাদের পর স্মিথকে বই লেখার জন্য প্রদান করেন। এটি একটি ভ্রান্ত দাবী ছিল, যা স্মিথ পরের বই দ্য সেভেন্থ স্ক্রোলে জানিয়ে দেন। বইয়ের প্রধান বিভ্রান্তি ছিল হিক্সসদের আগমন নিয়ে। যা বইয়ে দাবি করা সময়ের প্রায় ১০০ বছর পরের ঘটনা। অর্থাৎ ১৭৮০ খ্রিস্টপূর্বে মিসরের ত্রয়োদশ ডাইনেষ্টির সময়ে নয় প্রকৃতপক্ষে পঞ্চদশ ডাইনেষ্টির সময়ে মিশরে হিক্সসদের আগমন ঘটে। বইয়ের ঘটনা ও চরিত্রের সাথে যা সামঞ্জস্য পূর্ণ নয়।
Goodreads description
(populated via Goodreads Get)
Goodreads genre
(from Goodreads Get)
Rokomari URL
Get
Rokomari description
(populated via Rokomari Get)
‘রিভার গড’ বইয়ের ভূমিকাঃ উইলবার স্মিথের অত্যাধিক আলােচিত উপন্যাস, রিভার গড বা নদী-ঈশ্বর-এর কাহিনীর সত্যতা নিয়ে বিতর্ক আছে, আছে তুমুল জল্পনা-কল্পনা। বইয়ের সমাপ্তিতে লেখকের বক্তব্য এই বিতর্কের মূল কারণ, বইটির অসাধারণ জনপ্রিয়তার পর তিনি লিখেছেন এর সিকুয়েল। চার হাজার বছর আগের মিশরীয় ক্রীতদাসের মূল কাহিনী থেকে লেখক কতটুকু কাব্যিক স্বাধীনতা নিয়েছেন, সে বিতর্কে আমরা যাবাে না। অনুবাদ প্রসঙ্গে বলতে পারি, প্রাচীন পটভূমির ভাব-গাম্ভির্য্য এবং সম্রাট-সাম্রাজ্যের বর্ণনা ফুটিয়ে তােলার জন্যে আলঙ্কারিক ভাবটুকু আনা হয়েছে অনুবাদে। বহুদিন ধরেই উইলবার স্মিথের এই উপন্যাসটি অনুবাদের ইচ্ছে ছিলাে, অবশেষে প্রকাশক রিয়াজ খানের নিরবচ্ছিন্ন উৎসাহ এবং সমর্থনে শেষ হলাে পরিশ্রম-সাধ্য এই কাজ। আমার জানা মতে, বাঙলা ভাষায় এটিই উইলবার স্মিথের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। চারহাজার বছর আগের পটভূমিতে রচিত হওয়ায় ভাষার আভিজাত্য উপন্যাসটির একটি বড় দিক। প্রচন্ড ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে অনুবাদ-কর্ম চালাতে হয়েছে; কিন্তু যে কোনাে ভুল-ভ্রান্তির সবটুকু দায় আমারই। ইংরেজী শব্দ যথাসম্ভব পরিহার করে চেষ্টা করেছি বাংলা শব্দ ব্যবহারের। ভিন্ন কোনাে অনুবাদ-উপন্যাসে হয়তাে এর তেমন প্রয়ােজন নেই- মূল ইংরেজী শব্দ বরঞ্চ অনেকক্ষেত্রে মানানসই হয় সেখানে। কিন্তু রিভার গডে’র বাঙলা রুপান্তরে প্রাচীন ভাব ফুটিয়ে তােলা নিতান্তই প্রয়ােজনীয় ছিলাে। বানানরীতি এবং বিশেষ কিছু আধুনিক শব্দ ও পংক্তি’র জন্যে ঋণী হয়ে রইলাম বাংলাদেশের প্রধান প্রথাবিরােধী কবি, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী এবং গবেষক প্রয়াত হুমায়ুন আজাদের নিকট। সবশেষে, উপন্যাসের শেষে লেখকের বক্তব্যে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ভূমিকার সমাপ্তি টানছি।
Rokomari category
(from Rokomari Get)
Wiki URL
Get
Prothoma URL
Batighar URL
Goodreads URL
Get
Cover URL (remote)
(edit to update preview)
Get
Cover local path
(edit to update preview)
Save changes
Cancel
Delete book